ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান তাদের পছন্দের দেশগুলোর কাছে তেল বিক্রি করে টাকা কামাবে—সেটা আমরা হতে দেবো না। হয় সবাই সুযোগ পাবে, না হয় কেউ না; এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’
ট্রাম্প জানান, এ অবরোধ ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মতোই হবে, তবে এর পরিধি হবে অনেক বড়। এর ফলে আরও বেশি তেলবাহী ট্যাংকার তেল কেনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আসবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘আমি একদিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি। আমি তাদের সব জ্বালানি ব্যবস্থা, প্রতিটি কারখানা, তাদের বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র—যা বড় কিছু তাদের রয়েছে—সবকিছুই শেষ করে দিতে পারি।’
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানে বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক বোমাবর্ষণের ট্রাম্পের হুমকি কার্যকর করা হলে তা যুদ্ধাপরাধের শামিল হতে পারে।
আরও পড়ুন:
গত সপ্তাহে ট্রাম্প যখন বলেছিলেন, ‘ইরান যদি যুদ্ধ শেষ এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার চুক্তিতে না আসে, তাহলে একটি পুরো সভ্যতা আজ রাতে মারা যাবে।’
তখন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস কালামার্ড বলেছেন, ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ।’
কালামার্ড আরও বলেছিলেন, ‘যেসব সীমিত ক্ষেত্রে বেসামরিক অবকাঠামো সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, সেখানেও কোনো পক্ষ তা হামলার লক্ষ্য করতে পারে না, যদি এতে বেসামরিক মানুষের ওপর অসামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষতি করা হয়।’
তিনি আরও বলেছিলেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র, পানিব্যবস্থা ও জ্বালানি অবকাঠামো বেসামরিক জীবনের জন্য অপরিহার্য। এসবের ওপর নির্ভর করে বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা, হাসপাতালের বিদ্যুৎ, খাদ্য সরবরাহব্যবস্থা এবং মৌলিক জীবিকা। এসবের ওপর হামলা অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং তাই আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে বেআইনি। এটি যুদ্ধাপরাধও হতে পারে।’





