বৈঠক শেষে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, হিজবুল্লাহর হাত থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে লেবানন সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র। গত ১৬ এপ্রিল শুরু হওয়া ১০ দিনের প্রথম দফার যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে এই নতুন ঘোষণার ফলে শান্তিপ্রক্রিয়া আগামী মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় পেল।
বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও, ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি এবং দুই দেশের রাষ্ট্রদূতরা উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি খুব শিগগির ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনকে হোয়াইট হাউসে সরাসরি আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানাবেন।
আরও পড়ুন:
এসময় ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও জোর দিয়ে বলেন যে, হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের আর্থিক ও সামরিক সমর্থন অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘হ্যাঁ, তাদের (ইরান) এটা বন্ধ করতেই হবে। এটা করা বাধ্যতামূলক।’
ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি হিজবুল্লাহকে অঞ্চলের শান্তির প্রধান বাধা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি গোষ্ঠীটিকে একটি ‘উশৃঙ্খল প্রতিবেশী শিশুর’ সঙ্গে তুলনা করে বলেন,‘হিজবুল্লাহর উসকানি বন্ধ হলে দুই প্রতিবেশীর মধ্যে স্থায়ী শান্তি স্থাপন সম্ভব।’ অন্যদিকে লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াদ আমেরিকার এই সমর্থনের প্রশংসা করে বলেন, ‘এর মাধ্যমে লেবাননকে আবারও শ্রেষ্ঠত্বের আসনে ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।’





