ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বার্তা সংস্থা তাসনিম ও ফারস জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ দফার একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি পরে আপনাদের জানাবো। তারা আমাকে প্রস্তাবের প্রতিটি শব্দ এখন পড়ে শোনাবে।’ এর কিছুক্ষণ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, এই প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য হবে বলে তিনি মনে করেন না। কারণ গত ৪৭ বছরে মানবতা ও বিশ্বের বিরুদ্ধে তারা (ইরান) যা করেছে, তার জন্য এখনো তাদের উপযুক্ত মূল্য দিতে হয়নি।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, ইরানের উপপররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক মন্ত্রী কাজেম ঘারিবিয়াবাদি তেহরানে কূটনীতিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। তারা কূটনীতির পথ বেছে নেবে নাকি সংঘাত চালিয়ে যাবে, সেটি তাদের বিষয়।’ ইরান এই দুই পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুত বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। যুক্তরাষ্ট্র বারবারই বলে আসছে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, এমন চুক্তি ছাড়া তারা যুদ্ধ বন্ধ করবে না। যদিও ইরান শুরু থেকেই তাদের পরমাণু কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ দাবি করে আসছে।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্ববাজারে তেল, গ্যাস ও সার সরবরাহের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে। এর জবাবে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যাতে তেহরানের তেল বিক্রির আয় বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম যুদ্ধপূর্ব সময়ের চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র জাহাজ কোম্পানিগুলোকে হুঁশিয়ার করে বলেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানকে নগদ অর্থ বা ডিজিটাল মুদ্রায় কোনো টোল দিলে তাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে।





