আইএসপিআর জানায়, আর্মি রকেট ফোর্স কমান্ডের তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চালানো হয়। পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ফাতাহ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মূলত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যভেদে সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে। ‘ফাতাহ-৪’ ক্ষেপণাস্ত্রটিতে উন্নত এভিয়নিক্স এবং আধুনিক নেভিগেশন ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে, যা অনেক দূরের লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সৈন্যদের অপারেশনাল দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন কারিগরি দিকগুলোর কার্যকারিতা যাচাইয়ের জন্য এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছিল। আর্মি রকেট ফোর্স কমান্ডের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা এই সফল উৎক্ষেপণ প্রত্যক্ষ করেন।
পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে এক বছর আগের সংক্ষিপ্ত কিন্তু তীব্র এক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই পরীক্ষা চালাল পাকিস্তান। উল্লেখ্য, এক বছর আগে ভারত ও পাকিস্তান ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ভারী কামানের গোলাবর্ষণ করে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়েছিল, যা পরে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়।





