সৌদি আরবে সেনা পাঠাচ্ছে তুরস্ক-পাকিস্তান, কারণ কী

জাহাজে দায়িত্বে থাকা সেনা সদস্য
জাহাজে দায়িত্বে থাকা সেনা সদস্য | ছবি: সংগৃহীত
0

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবে দ্রুত সেনা ও প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা পাঠাতে সম্মত হয়েছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথিদের ধারাবাহিক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সোমবার রিয়াদে অনুষ্ঠিত এক জরুরি বৈঠকে দেশ তিনটি এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে। গত আগস্টে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তির দেশ তুরস্ক, মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ শক্তি সৌদি আরব এক নিরাপত্তা বলয়ে যুক্ত হল। এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, মিত্র তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে তা সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বৈঠক শেষে দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে তিন দেশ সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ওপর যেকোনো হুমকি বা হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। বিশেষ করে পবিত্র মক্কা ও মেদিনা শহর লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টার কঠোর বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, যৌথ প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেশ তিনটি অবিলম্বে প্রয়োজনীয় সামরিক বাহিনী ও রসদ দ্রুত সৌদি আরবে মোতায়েনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তবে প্রাথমিকভাবে কত সংখ্যক সেনা পাঠানো হবে কিংবা তাদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব কী হবে, তা বিবৃতিতে খোলাসা করা হয়নি।

গত জুলাই মাসে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, তেল শোধনাগার ও বাণিজ্যিক জাহাজে নিয়মিত হামলা চালিয়ে আসছে হুথিরা। গত সেপ্টেম্বর মাসে হুথিরা ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল দখল করে নেয়। এর জবাবে সোমবার সৌদি আরবের জোরালো বিমান সহায়তায় হুথিদের হটিয়ে দিতে বড় ধরনের পাল্টা অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী।

এএম