কেনিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এডেন ডুয়ালে গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, মৃত ব্যক্তি গত সাত বছর ধরে কঙ্গোয় বসবাস করছিলেন। প্রায় এক মাস আগে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কঙ্গোর কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর তিনি সড়কপথে উগান্ডার কাম্পালায় যান এবং সেখান থেকে উড়োজাহাজে করে গত শনিবার নাইরোবিতে পৌঁছান।
নাইরোবিতে পৌঁছানোর পর স্বজনেরা তাকে নাইরোবি হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে পরীক্ষায় তার শরীরে ইবোলা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয় এবং গত সোমবার রাতে তিনি মারা যান। স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তার মরদেহ সমাহিত করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এর আগে কেনিয়ায় কখনোই কোনো ইবোলা সংক্রমণের ঘটনা ঘটেনি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্যাট্রিক আমোথ জানান, ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা পরিবারের সদস্য ও চিকিৎসাকর্মীসহ ২৮ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া একই ফ্লাইটে ভ্রমণ করা আরও ২৩ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রু সদস্যকে চিহ্নিত করার কাজ চলছে। তাদের সবাইকে ২১ দিনের জন্য আইসোলেশনে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
আফ্রিকা মহাদেশে চলমান এই প্রাদুর্ভাবে কঙ্গো, উগান্ডা ও ফ্রান্সের পর কেনিয়া চতুর্থ দেশ হিসেবে ইবোলা সংক্রমণের শিকার হল। মধ্য মে মাসে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এই প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত অন্তত ৮ হাজার ৪০০ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৪ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করেছে, দ্রুত বিস্তার থামানো না গেলে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে।





