এর আগে চলতি মাসের শুরুতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ঘোষণা করেছিলেন, ২০০৯ সালে ফোর্ট হুডে রক্তক্ষয়ী হামলা চালানো নিডাল হাসানকে আগামী ৩ ডিসেম্বর ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে। সে সময় ওই মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি আলোচনার জন্ম দেন, কারণ কোনো দেশে আদালতের আদেশে মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের নজির সাধারণত দেখা যায় না।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, মৃত্যুদণ্ড সরাসরি দেখালে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করে, তা বিশ্ববাসী দেখতে পেত এবং এটি একটি শক্তিশালী বার্তা হতে পারত। তবে অনেকে এ দৃশ্য দেখতে চান না মন্তব্য করে ট্রাম্প বলেন, নির্ধারিত দিনেই তার মৃত্যুদণ্ড ফায়ারিং স্কোয়াডে কার্যকর করা হবে, তবে তা লাইভ দেখানো হবে না।
মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের এই প্রাথমিক পরিকল্পনার পর রাজনীতিবিদ, ধর্মীয় নেতা এবং সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্য থেকে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়। ক্যাথলিক চার্চের পক্ষ থেকেও আপত্তি তোলা হয় এবং মার্কিন নাগরিকদের বড় একটি অংশ সরাসরি সম্প্রচারের বিপক্ষে মত দেয়।
সাবেক সেনা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিডাল হাসান ২০০৯ সালে ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে গুলি চালিয়ে ১৩ জন নিরস্ত্র সেনাসদস্যকে হত্যা এবং ৩২ জনকে আহত করেন। হামলানিগ্রহকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হন তিনি। সামরিক আদালতে বিচার শেষে ২০১৩ সালে তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ হয়।


 founder Abhijeet Dipke-2-320x167.webp)


