বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত চারজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, পেন্টাগন সম্প্রতি লিথুয়েনিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়ার মতো ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোকে প্রকাশ্যে তাদের বক্তব্য সংযত রাখার পরামর্শ দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং ইউক্রেনকে রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধের চাপ দিয়ে যুদ্ধের একটি মধ্যস্থতামূলক সমাপ্তি টানতে চাইছে।
পেন্টাগনের নীতিবিষয়ক নীতি-প্রধান এলব্রিজ কোলবি সম্প্রতি বাল্টিক অঞ্চলের এক কর্মকর্তাকে স্পষ্ট করে জানান, রাশিয়ার দিকে কোনো ধরনের কাদা ছোড়াছুড়ি বা উসকানি দেয়া উচিত নয়। সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টেন মিচাল পুতিনকে কোণঠাসা ইঁদুর হিসেবে আখ্যা দিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। পেন্টাগন এ জাতীয় বক্তব্যকে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টিকারী বলে অভিহিত করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউরোপীয় এক কর্মকর্তা পেন্টাগনের গোপন বার্তার বিবরণ দিয়ে বলেন, মার্কিন কর্মকর্তারা আমাদের বলেছেন, ‘আমরা আপনাদের সহায়তা করছি, আমেরিকানরা সেখানে রয়েছে। শুধু উচ্চবাচ্য করবেন না, শোরগোল তুলবেন না।’ পেন্টাগন বাল্টিক প্রতিনিধিদলগুলোকে তাদের যেকোনো প্রকাশ্য যোগাযোগে পরিমিতবোধ বজায় রাখার তাগিদ দিয়েছে।
তবে মার্কিন পরামর্শ নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ন্যাটোর অনেক গোয়েন্দা সংস্থা রাশিয়ার নাশকতামূলক তৎপরতার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিলেও ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপে মার্কিন সেনা উপস্থিতি কমানো এবং মস্কোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথ খুঁজছে। পেন্টাগনের মতে, মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব এশিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মনোযোগ দিতে হলে ইউরোপীয় দেশগুলোকেই তাদের নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব বেশি নিতে হবে।





