লেবাননে বাফার জোন তৈরির পরিকল্পনা ইসরাইলের

ইসরাইলের দখলে লেবাননের একটি এলাকা
ইসরাইলের দখলে লেবাননের একটি এলাকা | ছবি: সংগৃহীত
0

লেবাননের ভেতরে ইসরাইলের বাফার জোন তৈরির মূল উদ্দেশ্য অঞ্চলটির গ্যাসের মজুত দখলে নেয়া। আল জাজিরার বিশ্লেষণ, বৈরুতের প্রাকৃতিক সম্পদের দিকে নজর তেল আবিবের। লেবাননের উপকূলে সেনা উপস্থিতি বাড়ানো ইঙ্গিত করে, হিজবুল্লাহকে নির্মূল করা ছাড়াও দেশটির তেল ও গ্যাসের মজুত নিয়ন্ত্রণের ষড়যন্ত্র করছেন নেতানিয়াহু।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে লেবানন ইস্যুকে দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে ইরান। অক্ষশক্তি হিজবুল্লাহকে রক্ষা করাই ইসলামি প্রজাতন্ত্রের উদ্দেশ্য। এখন প্রশ্ন ওঠে, লেবাননে সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কেন এতটা সংকল্পবদ্ধ ইসরাইল?

আল জাজিরার বিশ্লেষণ, লেবাননের ভেতরে ইসরাইলের বাফার জোন তৈরির মূল উদ্দেশ্য অঞ্চলটির গ্যাসের মজুত দখলে নেয়া। বৈরুতের প্রাকৃতিক সম্পদ দখলের দিকে নজর তেল আবিবের। তাই, হিজবুল্লাহকে প্রতিহত করা ছাড়াও তেল ও গ্যাসের মজুত নিয়ন্ত্রণের ষড়যন্ত্র করছেন নেতানিয়াহু।

লেবানন ইসরাইল সীমান্তের উত্তরে প্রায় ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত, এবং লেবাননের ভূখণ্ডের প্রায় ৬ শতাংশ এলাকায় একটি বাফার জোন তৈরি করেছে ইসরাইল। হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের প্রতিহত করতেই এ ইয়েলো লাইন- এমন দাবি করে আসছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বিভাগ।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এ প্রতিরক্ষা অঞ্চল বা বাফার জোন মাত্র যুদ্ধবিরতিই লঙ্ঘন করে না, বরং এটি লেবাননের ‘কানা’ গ্যাস প্রকল্পকেও ইসরাইলের আওতায় এনেছে। ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায়, ইসরাইলের সঙ্গে সামুদ্রিক চুক্তি করে এ প্রকল্প থেকে গ্যাস উত্তোলনের অধিকার পায় লেবানন।

ইসরাইলের নতুন বাফার জোন বা সীমানা রেখাটি কানার গ্যাসক্ষেত্রের দুটি ব্লক গ্রাস করেছে। মূলত এ ৮ ও ৯ নম্বর ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধানের কাজ শুরু হওয়ার কথা। এবং এগুলো ইসরাইলি জলসীমার কাছে।

জেআর