এ যেন এক ভূতুড়ে নগরী। জ্বলছে না কোনো ট্রাফিক লাইট। গাড়ির হেডলাইট কিংবা চার্জ ফুরিয়ে আসা নিভু নিভু ল্যাম্পের আলোয় জরুরি কাজ সারছেন কিউবাবাসী। নেই পর্যাপ্ত জ্বালানিও।
সোমবার কিউবার জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে বিদ্যুৎহীন দেশটির প্রায় এক কোটি বাসিন্দা। একদিন পেরোলেও স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ পরিষেবা। কিউবার এনার্জি বোর্ড বলছে, বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে তারা। শুরুতে দেশটির হাসপাতালগুলোতে বিদ্যুৎ ফেরানোর প্রচেষ্টা চলছে। এখন পর্যন্ত রাজধানী হাভানার ৪২ হাজার বাসিন্দা বিদ্যুৎ ফেরত পেয়েছে বলেও দাবি করেছে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের।
আরও পড়ুন:
এদিকে ফের কিউবা দখলে নিজের ইচ্ছার কথা জানান ট্রাম্প। সোমবার হোয়াইট হাউজে জানান, তার শাসনামলেই ক্যারিবিয়ান দ্বীপের দেশটির দখল নেবে যুক্তরাষ্ট্র।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘কিউবা নিয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত আমি নিতে পারি। এটি একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। তাদের শাসকরা উগ্র। তাই দেশটির অনেকে মুক্তি চায়। কিউবা দখলের খেতাব আমার ঝুলিতে পুড়বো।’
এর আগেও বন্ধুত্বপূর্ণ উপায়ে কিউবা দখলের কথা জানান ট্রাম্প। গেল জানুয়ারি থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার চাপে কিউবায় তেল সরবরাহ বন্ধ রেখেছে বেশিরভাগ দেশ। এতে মুখ থুবড়ে পড়েছে দেশটির অর্থনীতি।





