আজ (বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর) দুপুরে রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলাটির বিচার শেষে আজ রায় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজকের এ রায় অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে। জুলাই শহিদদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছি।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন মাহবুবউল আলম হানিফ। ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহার, নির্বিচারে গুলি করাসহ যেসব নির্দেশনা ছিল, সেসবে তার সহযোগিতা ছিল। এছাড়া কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের বৈঠকে অধীনস্ত নেতাকর্মীদেরও তিনি বলপ্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। আসামিদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ সাজা দিয়েছেন আদালত।’
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যক্তিগতসহ সুপিরিয়র দায় থাকার কারণে হানিফকে প্রথম অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। বাকি দুটিতে তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়। একইভাবে অপর তিন আসামিকে আমৃত্যু সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া সব আসামিকে তিনটি অভিযোগের জন্য পুনরায় যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়। পাশাপাশি তাদের অর্ধেক স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ দেয়া হয়েছে।’




