অন্যদিকে শিম ও শসার দাম বেড়েছে; শিম এখন ৬০ টাকা কেজি এবং শসা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারের বর্তমান মূল্য
- মুলা: ৪০ টাকা
- বেগুন: ৬০–৮০ টাকা
- শালগম: ৪০–৫০ টাকা
- উস্তে: ১২০ টাকা
- কাঁচা মরিচ: ১০০–১৪০ টাকা
- আলু: ২০–৩০ টাকা
- পেঁপে: ৩০–৪০ টাকা
- গাজর: ৪০ টাকা
- ধনেপাতা: ৬০ টাকা
- বাঁধাকপি: ৪০ টাকা
- ফুলকপি: ৫০ টাকা
- লাউ: ৫০–১২০ টাকা
- লাল শাক ও পালংশাক: ১০ টাকা প্রতি আঁটি
পাঁচতলা কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শীত মৌসুম শেষ দিকে, পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমেছে। রোজার আগে দাম আরও বাড়তে পারে।’
মাছের বাজার
- রুই: ৩৬০–৪০০ টাকা
- কাতল: ৩০০–৩২০ টাকা
- কার্প: ৩০০ টাকা
- পাঙাশ: ১৭০–১৯০ টাকা
- পাবদা: ৩৫০ টাকা
- তেলাপিয়া: ১৬০–২৬০ টাকা
ক্রেতা মো. ইসমাইল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে মাছের দাম কমছে না। রোজায় দাম আরও বাড়তে পারে।’
মাংস ও মুরগির বাজার
- গরুর মাংস: ৭৫০–৮০০ টাকা কেজি
- খাসি: ১,২৫০–১,৩০০ টাকা কেজি
- ব্রয়লার মুরগি: ১৮০–১৮৫ টাকা কেজি
- কক/সোনালি মুরগি: ৩০০–৩২০ টাকা কেজি
- লাল লেয়ার মুরগি: ৩০০ টাকা কেজি
বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই মনে করছেন, রোজার আগে চাহিদা বাড়ায় দাম বাড়ছে। মুরগির বিক্রেতা মনির বলেন, ‘খামার থেকে বেশি দামে মুরগি আনতে হয়েছে, চাহিদা বেশি। তাই দাম বেড়েছে।’
চাল ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য
- মোটা চাল (গুটি স্বর্ণা): ৫০–৫২ টাকা কেজি
- আটাশ চাল: ৬৫ টাকা
- মিনিকেট চাল: ৮৫–৮৭ টাকা
- চিনিগুঁড়া চাল: ১৪০ টাকা কেজি
- পেঁয়াজ: ৪০–৫০ টাকা
- আদা: ১৬০–২০০ টাকা
- রসুন: ১১০–১৮০ টাকা
- আলু: ২৫–৩০ টাকা
- চিনি: ১০০–১০৫ টাকা
- চিকন মসুর ডাল: ১৬৫ টাকা
- ছোলা: ১০০–১১০ টাকা
- আটার দুই কেজির প্যাকেট: ১২০–১৩০ টাকা
আরও পড়ুন:
বাজার পর্যবেক্ষকরা জানিয়েছেন, শীতকালীন সবজির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে, কিন্তু দাম এখনও বেশি। বেগুন ৮০–১২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৪০ টাকা, করলা ও কচুরলতি ১২০–১৬০ টাকা, লাউ ১০০–১২০ টাকা এবং বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৪০–৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজের বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। নতুন মৌসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম সহনীয় পর্যায়ে। তবে আমদানি করা পেঁয়াজ এখনও ৮০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।
রমজান মাস ঘনিয়ে আসায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতায় চাপ বাড়ছে। শীতকালীন সবজি, মাছ, মুরগি ও চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তবে নতুন মৌসুমের পেঁয়াজে স্বস্তি মিলছে। বিশেষ করে মুরগি ও কাঁচা মরিচের দাম রোজার আগেই বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।





