প্রায় ‘সব বাড়তির’ মাঝেও রাজধানীর সবজিবাজারে কিছুটা স্বস্তি

রাজধানীর একটি সবজিবাজারের চিত্র
রাজধানীর একটি সবজিবাজারের চিত্র | ছবি: এখন টিভি
0

সরবরাহ বাড়ায় স্বস্তি ফিরেছে রাজধানীর সবজির বাজারে। যদিও বেড়েছে আলু-পেঁয়াজের দর। আর এখনও নাগালে আসেনি ইলিশের দর, চড়া অন্যান্য মাছের দরও। এক্ষেত্রে সরবরাহ কমার অজুহাত বিক্রেতাদের। তবে কিছুটা স্বস্তি আছে মুরগির বাজারে। যদিও বেড়েছে চিনি, আটা ময়দার মত প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন, সঙ্গে সকাল থেকেই ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারওয়ান বাজারের দোকানি ও সবজি ব্যবসায়ীরা।

সপ্তাহ ঘুরে রাজধানীর এই বাজারে মাছের দাম বেশ চড়া। তেলাপিয়া, কই, পাঙাসের মতো বহুল বিক্রিত মাছগুলোর দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকায়।

অন্যদিকে, ইলিশের দাম কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা কমলেও তা এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ৯০০ গ্রাম ইলিশের দাম হাঁকাচ্ছেন ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

এদিকে দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে সাধারণ ক্রেতারা। ভরা মৌসুমেও দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। ক্রেতারা জানান, ইলিশের বাজারে যেন আগুন লেগেছে। ইলিশের যে দাম, তাতে এ মাছ সাধারণের নাগালের বাইরে।

একইসঙ্গে বেড়েছে চিনি, আটা, ময়দা ও গুড়ো সাবানের দাম। ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে চিনি ১২০, আটা ৬৫ ও ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। অপরিবর্তিত রয়েছে তেল ও চালের বাজার।

তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সবজি ও মুরগির দামে। সরবারহ বেশি থাকায় গত সপ্তাহের তুলনায় পেপে, করলা, বেগুন, বরবটি, লাউসহ বিভিন্ন সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে বলে জানান বিক্রেতারা। কমেছে আদা ও রসুনের দামও। তবে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে আলু ও পেয়াজের দর।

বাজারভেদে দামের কিছুটা তারতম্য থাকলেও, অপরিবর্তিত রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দাম।

এসএইচ