আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) রাজধানীর সড়কে যানচলাচল পর্যবেক্ষণ শেষে গুলিস্তানে বিআরটিসি বাস কাউন্টারে সাংবাদিকদের তিনি একথা জানান। এসময় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বাস ছেড়ে যাচ্ছে এবং নির্ধারিত ভাড়াই নেয়া হচ্ছে। এ বিষয়গুলোও তদারকি করা হচ্ছে।’ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা তেলের সংকটের অজুহাতে অগ্রিম টিকিট ফেরত দেয়ার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।
তিনি জানান, তেলের কারণে অগ্রিম টিকিট ফেরত দেয়ার একটি চেষ্টা হয়েছিল, তবে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি এবং অগ্রিম টিকিট বহাল রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সড়কে যানজট কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘মহাসড়কে যেসব স্থানে নির্মাণকাজ চলছিল, সেসব জায়গা থেকে নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং অন্তত একটি লেন সচল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, সারা দেশে যানজটপ্রবণ ২৬০টি স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ, বিআরটিএ, পরিবহন-সংশ্লিষ্ট সংস্থা, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারদের সমন্বয়ে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য হলো যাত্রীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে এবং নির্ধারিত সময়ে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যেন কেউ সড়কে আটকে না থাকেন, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।’
ট্রেন যাত্রা নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘বিদ্যমান কোচ ও জনবল দিয়ে যাত্রী পরিবহন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।’ স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে ব্যবস্থাপনা সন্তোষজনক মনে হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পর্যায়ক্রমে তেলের পাম্পে রেশনিং থাকবে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে শিগগিরই সুসংবাদ পাওয়া যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রীদের ওপর বাড়তি চাপ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই এবং বিষয়টি কঠোরভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে।’




