শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দেশের উচ্চশিক্ষাকে এগিয়ে নিতে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সর্বপ্রথম ১৯৯২ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দিয়েছিলেন যার সুফল বাংলাদেশ এখন পাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় উন্নয়নে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা দেয়া উচিত। তবে এমন স্বাধীনতা দেয়া যাবে না যাতে আবার হলি আর্টিজান সংঘটিত হয়।’
আরও পড়ুন:
এসময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভোগান্তি ছাড়া কার্যক্রম পরিচালনা নিশ্চিত করতে ১৮০ দিনের মধ্যে ইউনিভার্সিটি অফ ব্র্যান্ড কমিশনে সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
এসময় মালয়েশিয়ার দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বাংলাদেশকে এশিয়ার সবচেয়ে বড় শিক্ষার হাব বানানো হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী।
এদিকে ক্রমান্বয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডির অনুমোদন দেয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন। যোগ্য ও সুনাগরিক তৈরিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি আহ্বান জানান তারা।
এসময় দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শিক্ষাবিদ উপস্থিত ছিলেন।





