আজ (শনিবার, ১৮ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিল আকস্মিক পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশের বন্ধ জুট মিল এবং টেক্সটাইল মিলগুলো আমরা চালু করার প্রক্রিয়া করছি। আমাদের যে ১৮০ দিনের একটা কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, এই ১৮০ দিনের কর্মপন্থা বা পরিকল্পনার মধ্যে আমাদের বেশ কিছু মিল সারা বাংলাদেশে আমরা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি এবং এই প্রস্তাবনাগুলো বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আছে।’
আরও পড়ুন:
এরই অংশ হিসেবে সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক ‘জাতীয় জুট মিল’ (সাবেক কওমি জুট মিল) বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের মাধ্যমে সচল করার সমস্ত প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এর মাধ্যমে এখানে ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে, বিনিয়োগ হবে এবং অর্থনীতিতেও একটা বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।’
তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে অনেকগুলো মিল ওই স্বৈরাচারী সরকার বিক্রি করে বিভিন্নভাবে নিজেদের মধ্যে লুটপাট করে ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা যেগুলো আছে সেগুলোকে উদ্ধার করে আইনগতভাবে যতটুকু সম্ভব ফাইট করছি এবং যেগুলোর কোনো আইনগত বাধা নেই, সেগুলোকে আমরা প্রাইভেট সেক্টরে বিনিয়োগ করার জন্য এরই মধ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করেছি।’
পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুসহ পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


 reacts as he holds a picture of Sonam Wangchuk-320x167.webp)


