আজ (শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে ট্যালেন্ট শার্পনার আয়োজিত ‘পিংক ওয়েলবিয়িং: আ জার্নি অব ব্রেস্ট ক্যান্সার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্ট্রংগার টুগেদার ফর আ হেলদিয়ার টুমরো’।
চিফ হুইপ বলেন, ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ এ দেশের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণকে দক্ষ, সুস্থ ও স্বাবলম্বী মানবসম্পদে পরিণত করতে কাজ করছেন। দেশের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠী নারী। তাই নারীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করা সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘ব্রেস্ট ক্যান্সার ও সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার নারীদের জন্য বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। নারী শিক্ষার্থী ও তরুণীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, রোগের লক্ষণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে সচেতন করতে হবে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিষয়ক সামাজিক ট্যাবু ও সংকোচ দূর করতে হবে।’
সরকারি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে এসব রোগ বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে চিফ হুইপ বলেন, বিশেষজ্ঞদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও কর্মপরিকল্পনা পেলে তা প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, নিয়মিত পরীক্ষা ও সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণে নারীদের উৎসাহিত করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সম্পৃক্ত করে সহজবোধ্য ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যতথ্য প্রচারের আহ্বান জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘একজন মা সুস্থ থাকলে পরিবার ও সমাজ সুস্থ থাকে। তাই ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত নারী এবং সুস্থ হয়ে ওঠা নারীদের পাশে দাঁড়ানো সবার সামাজিক দায়িত্ব।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য বিথিকা বিনতে হোসাইন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে প্যানেল আলোচনায় ব্রেস্ট ক্যান্সারের লক্ষণ, রোগ শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসা ও রোগীদের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।





