আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘আমরা বলেছি এখন মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। কোনো একটি দলকে ব্যাপক প্রচারণা দিচ্ছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো কোনো ব্যক্তিকে অনেক নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে। আবার একই ধরনের অন্য নেতাদের সেরকম নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে না।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের কথা হচ্ছে যে আরপিও যারা ভায়োলেট করবে যেমন কোনো কোনো নেতাদের সফরের নিউজ আমরা পাচ্ছি। ২১ তারিখের আগে তো ওইভাবে রাজনৈতিক সফর বা নিজের মার্কা নিয়ে সফর করার সুযোগ নাই। তো আমরা দেখি নির্বাচন কমিশন কী করে, বা ওনারাই বা কী করে।’
জামায়াতের এ নেতা বলেন, ‘এবার প্রার্থিতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বৈষম্য আমরা দেখেছি। প্রশাসনের সিদ্ধান্তেরও ভিন্নতা দেখেছি। যেমন দ্বৈত নাগরিকত্বের ব্যাপারে একই ধরনের ঘটনায় কোনো কোনো জায়গায় নমিনেশন গ্রহণ করা হয়েছে। আবার একই ধরনের ঘটনায় কোনো কোনো জায়গায় এটাকে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা এটি জানিয়েছি এবং প্রতিবাদ করেছি। এটার কারণ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ডিসিরা দলীয় ডিসি নিয়োগ করা হয়েছে। যে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সে দেখেছে, সে আইনকে দেখেনি। আমরা বলেছি এ ধরনের ডিসি এসপিকে অপসারণ করতে হবে, নিরপেক্ষ ডিসি এসপি সেখানে নিয়োগ করতে হবে। না হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’
আরও পড়ুন:
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, ‘যেরকম সিরিয়াস সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া দরকার ছিল সেরকম নির্বাচন বাংলাদেশে হয়নি। কিছুটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছিল ১৯৯১ সালে ও ২০০১ সালে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্যে পার্থক্য আছে।’
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিকের সাক্ষাতের বিষয়ে নায়েবে আমির বলেন, ‘আমাদের দেশে তো বাইরের একটা ইনভলবমেন্টের চেষ্টা সবসময় হয়ে থাকে। সেটা কিন্তু খুব ভিজিবল হয় না। আমাদের কাছে এমন কোনো প্রুফ নেই। কিন্তু কালচারালি অতীতে আমরা যেটা দেখেছি সেরকম একটা শঙ্কা তো থাকেই। ভারতের সঙ্গে আমিরে জামায়াতের কোনো ফরমাল বৈঠক হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘উনি যখন অসুস্থ ছিলেন তখন বহু দেশের রাষ্ট্রদূতরা উনাকে দেখার জন্য এসেছিলেন। ভারতীয় দূতাবাস থেকে রিকুয়েস্ট করা হয়েছিল যে, আমরা আমিরে জামায়াতকে দেখতে যাবো, উনি অসুস্থ। আমরা এটাতে একমত হয়েছি, কারণ একজন অসুস্থ লোককে দেখার জন্য তো বাধা দেয়ার কিছু নেই। তবে যারা এসেছিলেন তারা রিকুয়েস্ট করেছিলেন এটা যেন পাবলিক না হয়। আমরা সে রিকুয়েস্ট মেইনটেইন করেছি।’





