১৫ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে হিলি ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক। ব্যাট হাতে বিধ্বংসী, গ্লাভসে ক্ষিপ্র। নারী ক্রিকেটে উইকেটকিপার-ব্যাটারের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছেন তিনি।
সব সংস্করণ মিলিয়ে তার সংগ্রহে রয়েছে সাত হাজারের বেশি রান এবং উইকেটের পেছনে ২৭৫টি ডিসমিসাল। ১০ টেস্টে করেছেন ৪৮৯ রান, সর্বোচ্চ স্কোর ৯৯। ১২৩ ওয়ানডে ক্যারিয়ারে করেছেন ৩৫৬৩ রান। আছে ৭টি সেঞ্চুরি ও ১৮টি হাফ সেঞ্চুরি। এছাড়া ১৬২ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১টি সেঞ্চুরি ও ১৭টি হাফ সেঞ্চুরিতে করেছেন ৩০৫৪ রান। সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৪৮।
আরও পড়ুন:
অধিনায়ক হিসেবেও ছিলেন সমান সফল। ২০২৩ সালে মেগ ল্যানিংয়ের কাছ থেকে নেতৃত্ব পাওয়ার পরই তার নেতৃত্বে অ্যাশেজে ইংল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করে অস্ট্রেলিয়া।
বিশ্বকাপ মঞ্চেও হিলির অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি দুইবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছেন। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার ১৭০ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস নারী ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে বিবেচিত। পাশাপাশি ছয়টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের অংশ ছিলেন তিনি।
অবসর সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে হিলি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার আবেগ এখনো আছে, তবে ক্যারিয়ারের শুরুতে যে প্রতিযোগিতামূলক জেদ তাকে তাড়িত করতো, সেটি আর আগের মতো অনুভব করছেন না। তাই এখনই সরে দাঁড়ানোর সময়।’
আগামী ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ভারতের বিপক্ষে একটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। এ সিরিজ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইতি টানবেন নারী ক্রিকেটের এক সত্যিকারের কিংবদন্তি অ্যালিসা হিলি।





