২০২৫ সালে দেশের ফুটবলে প্রাণ ফিরলেও, ঘরোয়া ফুটবল রয়ে গেছে সেই অন্ধকারেই। নিয়মিতই আয়োজন হচ্ছে প্রিমিয়ার লিগ তবে প্রশ্ন আছে মান নিয়ে। প্রথম বিভাগসহ অন্যান্য আসরের সময়সূচি বদলেছে বারবার। আড়ালে থাকা ঘরোয়া ফুটবল নিয়ে অভিযোগেরও শেষ নেই। বাফুফে সভাপতিও স্বীকার করে নিলেন নিজেদের ব্যর্থতার কথা।
তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘আমাদের ব্যর্থতার মূল কারণটা হলে আমাদের রিসোর্স কম। আমাদের সবকিছুতেই বলতে গেলে ব্যর্থতা আছে, জেলা লিগ হচ্ছে না, এটাতে আমি মনে করি ব্যর্থতার পরিচয় আমরা দিয়েছি। আই অ্যাম ভেরি অনেস্ট অ্যাবাউট দ্যাট। সবকিছু মিলে আমাদের বুঝতে হবে যে আমাদের রিসোর্স অনুযায়ী যদি আমি চিন্তা করি আমি আউটপুটটা কী পেয়েছি। এখানে ডেফিনেটলি বলবো, ব্যর্থতা নেই। কিন্তু যদি প্রত্যাশার জায়গা চিন্তা করি, সম্ভাবনার জায়গা চিন্তা করি, তাহলে কিছু ব্যর্থতা অবশ্যই আছে। কিন্তু আমি মনে করি আমরা আরেকটু বেটার ম্যানেজ করতে পারতাম। আমরা যেভাবে টুর্নামেন্টগুলোতে পার্টিসিপেট করেছি, আমরা মনে করি আরেকটু বেটার প্ল্যানভাবে করতে পারতাম।’
আরও পড়ুন:
ঘরোয়া ফুটবলের মানসম্মত সংস্কৃতি গড়ে না ওঠার পেছনে কেবল বাফুফেরই নয়, দায় আছে ক্লাবগুলোরও। এখনও আর্থিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি ক্লাবগুলোর। ফলে বেতন বকেয়া, চুক্তি জটিলতা আর মাঝপথে দল ভেঙে যাওয়া ঘরোয়া ফুটবলের নিয়মিত চিত্র। এসব অভিযোগে ফিফার নিষেধাজ্ঞাও পেতে হয়েছে দেশের শীর্ষসারির ক্লাবগুলোকে। যেটি বৈশ্বিক অঙ্গনে দেশের ফুটবলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে।
তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘ফেডারেশনের তো অনেকগুলো কাজ আছে। ফেডারেশন তো একটা ক্লাবকে একটু বেশি সুযোগ সুবিধা দিলো আরেকটা ক্লাবকে দিলো না, সেটা তো ফেডারেশনের হবে না। ফেডারেশনের সব ক্লাবকেই সমানভাবে দেখতে হয়। তারমধ্যে কিছু ক্লাব আছে যাদের হেল্পটা লাগে না। আর কিছু কিছু আছে, যেটাই দেই এনাফ না। আরও বেশি লাগবে। ক্লাবদের নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।’
বাংলাদেশের ফুটবলের বড় সংকট স্টেডিয়াম। এক জাতীয় স্টেডিয়ামের ওপর দিয়েই যায় সব ধকল। পর্যাপ্ত মানসম্মত ফুটবল স্টেডিয়ামের অভাবে থেমে আছে ফুটবলের বিকেন্দ্রীকরণও।





