ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণের ঝড় তোলে জার্মানি। মাত্র ৬ মিনিটেই ফেলিক্স এনমেচার নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জালে বল পাঠিয়ে জানান দেন আজকের রাতটা হতে যাচ্ছে তাদেরই। তবে কুরাসাও হাল ছাড়েনি। ২১ মিনিটে লিয়ান্দ্রো কোমেনেনসিয়ার দারুণ গোলে ম্যাচে ফিরে আসে তারা, মুহূর্তের জন্য হলেও ম্যাচে যোগ হয় উত্তেজনা।
কিন্তু সেই উত্তেজনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। জার্মানদের গতি, পাসিং আর আক্রমণের চাপ ক্রমেই ম্যাচকে একপেশে করে তোলে। ৩৮ মিনিটে নিকো শ্লটারবেকের গোল আবারও এগিয়ে দেয় জার্মানিকে। এরপর প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে, অতিরিক্ত সময়ে পেনাল্টি থেকে কাই হাভার্টজের ঠাণ্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৩-১।
দ্বিতীয়ার্ধে যেন কুরাসাওয়ের জন্য দুঃস্বপ্ন নেমে আসে। মাঠে নেমেই ৪৭ মিনিটে জামাল মুসিয়ালার চমৎকার গোল। এরপর একের পর এক আক্রমণে বিধ্বস্ত হতে থাকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ।
৬৮ মিনিটে নাথানিয়েল ব্রাউনের গোল, ৭৮ মিনিটে ডেনিজ উনদাভের ফিনিশিং, আর ৮৭ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচে ইতি টানেন কাই হাভার্টজ। প্রতিটি গোলেই ছিল জার্মানদের টেকনিক্যাল শ্রেষ্ঠত্ব আর আক্রমণাত্মক ফুটবলের নিখুঁত প্রতিফলন।
শেষ পর্যন্ত স্কোরলাইন জার্মানি ৭-১। এই জয় শুধু তিন পয়েন্ট নয়, বিশ্বকাপের বাকি দলগুলোর জন্য এক স্পষ্ট বার্তা শিরোপার দাবিদার হয়েই বিশ্বকাপে এসেছে জার্মানরা।





