একদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে। যার পায়ের সঙ্গে গোলের সখ্যতা ক্যারিয়ারের শুরু থেকে। অন্যপাশে ওসমান দেম্বেলে। ব্যালন ডি'অর জেতা উইঙ্গারের দুই পা-ই চলে সমানতালে। আর তাদেরকে জায়গা দিতে গিয়ে উইং ছেড়ে পুরোদস্তুর মিডফিল্ডার বনে গিয়েছেন মাইকেল ওলিসে। নতুন ভূমিকায় যিনি অতুলনীয়, অপ্রতিরোধ্য। আর এই তিনে ভর করে ফ্রান্স ছুটছে তৃতীয় বিশ্বকাপের পথে।
নিজেদের আগুন ঝরানো পারফরম্যান্সে ফ্রান্সের ত্রয়ী কেবল দলকেই এগিয়ে নিচ্ছেন না, সেই সঙ্গে রেকর্ডের পাতায়ও তুলেছেন ঝড়। চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত কোনো গোল না করলেও অ্যাসিস্টের দিক থেকেই রেকর্ডবুকে উঠেছেন মাইকেল ওলিসে। ১৯৯৪ সালে জার্মান তারকা থমাস হাসলারের পর এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৫ অ্যাসিস্টের রেকর্ড দখলে নিয়েছেন তিনি। সঙ্গে চলতি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্টের কীর্তি তো আছেই। হাতছানি দিচ্ছে এক বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ৬ অ্যাসিস্টের রেকর্ড।
আরও পড়ুন:
ওলিসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটছেন উসমান দেম্বেলে এবং কিলিয়ান এমবাপ্পে। দুজনের বোঝাপড়ায় বিশ্বকাপে ফ্রান্স পেয়েছে ৬ গোল। কোনো জুটির বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলে অবদান রাখার রেকর্ড এটি। জার্মানির মাইকেল বালাক এবং মিরোস্লাভ ক্লোসা নিজেদের মাঝে ভাগাভাগি করেছেন ৫ গোল। সমান গোল ছিল পোল্যান্ডের শারমাক এবং লাটোর মাঝে। এমবাপ্পে-দেম্বেলে জুটি তাদের ছাড়িয়ে গিয়েছেন রাউন্ড অব থার্টি-টুর মঞ্চেই।
ব্যক্তিগত দিক থেকেও এমবাপ্পে-দেম্বেলে রেকর্ডবুকে জায়গা করেছেন আগেই। এমবাপ্পের ঝুলিতে আছে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোল এবং নকআউটে সবচেয়ে বেশি গোলের রেকর্ডটা। আর দেম্বেলে এই মুহূর্তে বিশ্বকাপে দ্বিতীয় দ্রুততম হ্যাটট্রিকের মালিক।
আর শিষ্যদের এমন পারফরম্যান্সের সুবাদে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশমের প্রোফাইল হয়েছে ভারি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডের পাশাপাশি নকআউটে সবচেয়ে বেশি ৯ জয়ের রেকর্ডও আছে দেশামের।





