আজ (বুধবার, ৫ আগস্ট) বিকেলে শহরের বাবুরহাট পেন্নাই সড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নুরুল আমিন কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট এলাকার বাসিন্দা বলে জানা যায়।
এছাড়া আহতরা হলেন— চাঁদপুর মতলব দক্ষিণ উপজেলার বাইশপুর গ্রামের শাহ আলম (৫০), একই উপজেলার কাজিরগাঁও গ্রামের সিএনজি চালক রায়হান (৩০) ও সবাশিপুর গ্রামের কবির (৪০)। আহতদের মধ্যে সিএনজি চালক রায়হানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় ও আহতরা জানান, দ্রুতগামী জৈনপুর বাসটি বাবুরহাট বাজারের দিকে আসছিল এবং অটোরিকশাটি মতলবে যাচ্ছিলো। পথিমধ্যে পেন্নাই সড়কের আলিকার দোকান অতিক্রম করার সময় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
আরও পড়ুন:
এতে অটোরিকশার চার যাত্রী গুরুতর আহত হন। এদের মধ্যে নুরুল আমিন ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করেন। পরে আহতদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
চাঁদপুর সরকারী জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. আসিবুল আহসান বলেন, ‘হাসপাতালে নিয়ে আসার পূর্বেই নুরুল আমিন মারা যায়। আহত রায়হানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।’
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমরা দুর্ঘটনার খরব পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
এদিকে জৈনপুর বাসের কোনো রোড পারমিট নেই। এসব বাসের চালকেরা প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে বেপরোয়া ভাবে চলাচল করে। তারা প্রায়ই সড়কে দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে।





