আগামীকাল তিন উপজেলার ১০টি মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন তারা।
গ্রামগুলো হলো- নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর ও হরিণারায়নপুর গ্রাম, কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের রামভল্লবপুর, বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ ও ফাজিলপুর গ্রাম। এসব গ্রামে আগামীকাল সকাল ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন:
তাদের দাবি, বড় পীর আবদুল কাদির জিলানী (র.) এর মতাদর্শে তৈরি হয় কাদেরিয়া তরিকা। কাদেরিয়া তরিকার অনুসারীরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছর একদিন আগে রোজা রাখেন। এছাড়াও ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকেন।
বেগমগঞ্জের গোপালপুর ইউনিয়নের কাদেরিয়া তরিকার অনুসারী মো. সিরাজ মিয়া বলেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষদের দেখানো পথ অনুযায়ী আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখেই রোজা শুরু করি এবং ঈদ উদযাপন করি। এবছরও আমরা তার ব্যতিক্রম করবো না।’
নোয়াখালী পুলিশ সুপার টি. এম. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে নোয়াখালীর তিন উপজেলার পাঁচটি গ্রামে দুই শতাধিক মুসল্লি আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন। তাদের ঈদ উদযাপন যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।’





