রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএতে প্রকাশিত মন্তব্যে বাঘায়ী বলেন, ‘যুদ্ধ বন্ধের জন্য আলোচনার মার্কিন অনুরোধ নিয়ে কয়েকটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের কাছ থেকে বার্তা পাওয়া গেছে।’
বাঘায়ী বলেন, ‘এর জবাবে ইরান দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় যেকোনো হামলার ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়েছে।’
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং আলোচনা শুরুর উদ্যোগও নিয়েছে ইরান।’
আরও পড়ুন:
এদিকে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য জ্বালানি তেলের দাম কমানো এবং মার্কিন সামরিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সময় নেয়ার প্রচেষ্টার অংশ মাত্র।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে বলা হয়, ‘হ্যাঁ, উত্তেজনা কমাতে আঞ্চলিক দেশগুলোর কিছু উদ্যোগ আছে এবং সেগুলোর প্রতি আমাদের জবাব স্পষ্ট, এই যুদ্ধ আমরা শুরু করিনি, তাই এসব অনুরোধ ওয়াশিংটনের কাছেই জানানো উচিত।’
গত সপ্তাহে অ্যাক্সিওস জানায়, হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ দখল বা অবরোধের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে। একই সময়ে হাজারো মার্কিন নাবিক ও মেরিনের একটি বহর মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাচ্ছে, যা যুদ্ধের নতুন একটি পর্যায় শিগগিরই শুরু হতে পারে—এমন জল্পনা তৈরি করেছে।





