আজ (বুধবার, ১৫ এপ্রিল) প্রচারিত স্কাই নিউজের এক ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দুই দেশের তথাকথিত ‘বিশেষ সম্পর্ক’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের জ্বালানি ও অভিবাসননীতির প্রতি অসন্তোষের ইঙ্গিত দেন।
ওয়াশিংটন ও লন্ডনের সম্পর্ককে কীভাবে বর্ণনা করবেন—এ প্রশ্নে ট্রাম্প জবাব দেন, ‘কার সঙ্গে?’ এরপর তিনি বলেন, ‘আগের আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই উদার ছিল এবং শর্তগুলো আবারও খতিয়ে দেখা যেতে পারে।’
ট্রাম্প বলেন ‘আমরা তাদের ভালো বাণিজ্যচুক্তি দিয়েছিলাম। আমার করার চেয়েও ভালো। যা চাইলে বদলানোও যেতে পারে। তবে আমরা তাদের খুব ভালো একটা চুক্তি দিয়েছিলাম, কারণ তাদের অনেক সমস্যা আছে।’
যুক্তরাজ্যের অভিবাসননীতি নিয়ে সমালোচনা করে ট্রাম্প একে ‘পাগলামি’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘তারা ধ্বংস করছে তোমাদের দেশ আক্রমণের শিকার হচ্ছে।’
ট্রাম্পের ভাষ্য মতে, ‘যুক্তরাজ্যের জ্বালানি ও অভিবাসননীতি—দুটিই সবচেয়ে খারাপ।’ তিনি আরও বলেন, ‘এভাবে সফল হওয়া যায় না, সম্ভবই না।’
নর্থ সি অঞ্চলে তেল উত্তোলন বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে ‘দুঃখজনক ভুল’ বলেও উল্লেখ করেন ট্রাম্প। জলবায়ু পরিবর্তন অস্বীকারকারী এবং জীবাশ্ম জ্বালানির পক্ষে থাকা ট্রাম্প বলেন, ‘আমি কিয়ার স্টারমারকে পছন্দ করি, কিন্তু আমার মনে হয় নর্থ সি তেল বন্ধ করে তিনি একটি দুঃখজনক ভুল করেছেন। দেখুন, আপনাদের জ্বালানির দাম এখন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি।’
অন্যদিকে কিয়ার স্টারমার আগে বলেছিলেন, ‘বৈশ্বিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর অর্থনৈতিক প্রভাবে তিনি “বিরক্ত”।’ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ট্রাম্পের পদক্ষেপ জ্বালানির দামে অস্থিরতা বাড়িয়ে যুক্তরাজ্যের পরিবার ও ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরান যুদ্ধ আমাদের যুদ্ধ নয় এবং যুক্তরাজ্য এতে জড়াবে না।’ ট্রাম্প বলার পর যে তিনি ন্যাটো থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেয়ার কথা ভাবছেন, তখন কিয়ার স্টারমার এ মন্তব্য করেন।





