শিক্ষামন্ত্রী জানান, যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর মধ্যে প্রায় ২০টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তেহরান, কেরমানশাহ, ইসফাহান ও হরমুজগান প্রদেশে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলোর সংস্কার কাজ আগামী অক্টোবরের মধ্যে শেষ হবে।
আরও পড়ুন:
আলিরেজা কাজেমি আরও বলেন, ‘হামলা সত্ত্বেও যুদ্ধ চলাকালীন শিক্ষা কার্যক্রম থেমে থাকেনি। সশরীরে অথবা ইরান টেলিভিশন স্কুল-এর মতো দূরশিক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পড়াশোনা অব্যাহত রাখা হয়েছে।’
এসময় শিক্ষামন্ত্রী মিনাবের শাজারেহ তাইয়্যেবাহ বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ১৭০ জনের স্মরণে স্কুলগুলোতে শোকসভার আয়োজনের কথা জানান। ওই হামলায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল স্কুলছাত্রী ও তাদের শিক্ষক। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।





