নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি অভিযোগ করেছে যে কাতার ও তুরস্ক থেকে অবৈধ অর্থ নিয়ে নির্বাচন চুরি করেছে আরব দলগুলো। দেশটির নির্বাচন কমিশনের আর্জিতে অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেট এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তবে কাতার এ দাবিকে সম্পূর্ণ ‘হাস্যকর ও বিপজ্জনক অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে।
চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ১২০ আসনের নেসেটে নেতানিয়াহুর ডানপন্থি জোট পেয়েছে ৫৩ আসন এবং সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৮ আসন। অন্যদিকে অভূতপূর্বভাবে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আরব দলগুলোর জোট ১৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। ফলে নতুন সরকার গঠনে আরব দলগুলোই এখন সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রক বা কি-মেকারে পরিণত হয়েছে।
লিকুদ পার্টির এই তৎপরতাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা আইজেনকটের সঙ্গে আরব দলগুলোর সম্ভাব্য জোট ঠেকানোর চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন। আরব জয়েন্ট লিস্টের নেতা ইউসেফ জাবারিন এবং বাল্যাড চেয়ারম্যান সামি আবু শেহাদে অভিযোগ করেন, ডানপন্থিরা বর্ণবাদী অপপ্রচার চালিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে নির্বাচনের ফল ভেস্তে দিতে চাইছে। অন্যদিকে শিন বেট ও নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করেছে যে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বস্ততা প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো কোনো তথ্য তারা পায়নি।
গাদি আইজেনকট বলেন, তদন্তের ফল আসার আগেই ফল ভেস্তে দেয়ার চক্রান্ত করছেন নেতানিয়াহু। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো পদ্ধতিগত ত্রুটি ছিল না বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কর্মকর্তা দিন লিভনে। বর্তমানে আইজেনকটের কাছে সরকার গড়ার একমাত্র পথ হলো এই আরব দলগুলোর সমর্থন নিশ্চিত করা।





