ইরান যুদ্ধের জেরে ইউরোপের অনেক মিত্র রাষ্ট্রকে শত্রুর তালিকায় যুক্ত করতে কার্পণ্য করেননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। সমালোচনার কাঠগড়ায় ন্যাটোকে দাঁড় করানোর পাশাপাশি জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহারেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।
এবার বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস। দেশটির বার্তা সংস্থা ডিপিএকে দেয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি আগে থেকেই অনুমান করেছিল বার্লিন। এছাড়াও, জার্মানিতে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি দুই দেশের স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন পিস্টোরিয়াস।
আরও পড়ুন
এদিকে, জার্মিন থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের বিস্তারিত কারণ জানতে ন্যাটো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করছে বলে এক এক্স বার্তায় জানিয়েছেন জোটের মুখপাত্র এলিসন হার্ট।
জার্মানি থেকে ৫০০০ সেনা প্রত্যাহার করেই ক্ষান্ত নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। নতুন করে আরও মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের আছে বলে সাংবাদিকদের জানান ট্রাম্প।
মধ্যস্থতার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে অপমানিত হয়েছে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জের এমন বক্তব্যের পর ট্রাম্পের রোষানলে পড়ে বার্লিন। এরপরই হঠাৎ দেশটি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমানে জার্মানিতে ৩৬ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন আছে। এটাই ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি।





