বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল শহিদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার জাতিসংঘের অধীনে সম্পন্ন করার দাবিতে যমুনার সামনে আন্দোলন করছিল ইনকিলাব মঞ্চ। এসময় পুলিশ আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে চাইলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। ওই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের অতি উৎসাহী কয়েকজন সদস্য সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে মারধর করেন।
আরও পড়ুন:
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, পুলিশের হামলায় কালের কণ্ঠ, আরটিএনএন, যুগান্তর, মাই টিভি ও জাগরণ নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের অন্তত ১৫ জন সাংবাদিক আহত হন, যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশের নাগরিকদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রাখতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের অধিকারে বিশ্বাসী।
অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক পুলিশ সদস্য একজন মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিককে পায়ে লাথি মেরে ফেলে দেন, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অমানবিক আচরণেরই বহিঃপ্রকাশ।’
পুলিশ সদস্যদের এ ধরনের আচরণকে অপেশাদার ও অনাকাঙ্ক্ষিত হিসেবে উল্লেখ করে তাদের অতিরিক্ত বল প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে যথাযথ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিও জানান তিনি।




