প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘ওআইসি ইয়ুথ ক্যাপিটাল কর্মসূচি মুসলিম বিশ্বের তরুণদের জন্য সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং নীতি উদ্ভাবনের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম। জলবায়ু পরিবর্তন ও ডিজিটাল নৈতিকতার মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ প্ল্যাটফর্মটি তরুণদের জন্য শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং একটি সমৃদ্ধ ও যৌথ ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এ সম্মেলনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।
দেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ বর্তমানে ঐতিহাসিক “জনমিতিক লভ্যাংশ” উপভোগ করছে, কারণ দেশের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই তরুণ।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক সমাজে রূপান্তর হয়েছে। এ পরিবর্তনের অগ্রনায়ক আমাদের তরুণ প্রজন্ম।’
আরও পড়ুন:
ক্রীড়া খাতের উন্নয়ন সম্পর্কে তিনি জানান, বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকার বিশ্বমানের অবকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের যুব সমাজকে ‘স্থিতিস্থাপকতা ও অপার সম্ভাবনার প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেন।
যুব ও উদ্যোক্তা নীতির সুফল তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্বল্প সুদে স্টার্ট-আপ অনুদান এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকার তরুণদের চাকরিপ্রার্থীর পরিবর্তে চাকরিদাতা (উদ্যোক্তা) হিসেবে গড়ে তুলছে। আমাদের লক্ষ্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের সাধারণ মেধাবী তরুণের উদ্ভাবনী ভাবনাও একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।’
প্রতিমন্ত্রী ক্রীড়াকে জাতি গঠনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে বর্ণনা করেন এবং একটি সংহত ও ঐক্যবদ্ধ ইসলামি বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিয়মিত ‘ওআইসি গেমস’ আয়োজনের প্রস্তাব পেশ করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তুরস্কের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী ওসমান আস্কিন বাক, ওআইসি সচিবালয়ের যুব ও ক্রীড়া প্রধান ড. বুবাকারি মাইগা, কোনিয়ার গভর্নর ইব্রাহিম আকিন এবং তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টির ডেপুটি চেয়ারম্যান আহমেদ বুয়ুকগুমুস। অনুষ্ঠানে ওআইসিভুক্ত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও যুব নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।




