পরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সংসদীয় গণতন্ত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা, রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
এসময় তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন যাত্রার জন্য অভিনন্দন জানান। একইসঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
এ বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে তুরস্কের স্পিকারকে অবহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকট এবং এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টিও তুলে ধরেন।
রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য তুরস্কের অব্যাহত সহযোগিতা ও মানবিক ভূমিকার জন্য জামায়াত আমির তুরস্কের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় তুরস্কের প্রেসিডেন্টের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি তুরস্কের স্পিকারের কাছে হস্তান্তর করেন ডা. শফিকুর রহমান।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানান বিরোধীদলীয় নেতা।
এছাড়া বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সংসদীয়, শিক্ষাগত, প্রযুক্তিগত, শিল্প-সাহিত্য এবং মানবিক কার্যক্রম পিপল টু পিপল সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠকে উভয়পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এসময় স্পিকারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তুরস্ক পার্লামেন্টের বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ারম্যান আকিফ ইলমাজ এমপি প্রমুখ।
বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. হাফিজুর রহমান ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।





