যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যুদ্ধবিরতি হুমকির মুখে পড়লেও; লেবাননে হামলার মাত্রা আরও বাড়াচ্ছে ইসরাইল। গেল দু’দিনে তিন শতাধিক নিহতের পর শুক্রবারও অব্যাহত রয়েছে আগ্রাসন। দক্ষিণ লেবাননে দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে আইডিএফ। শোনা যাচ্ছে মুহুর্মুহু বোমাবর্ষণের শব্দ।
অধিকৃত গাজা উপত্যকার কায়দায় লেবাননের চিকিৎসা খাত, বেসামরিক অবকাঠামোতে আগ্রাসন চালাচ্ছ নেতানিয়াহুর সেনারা। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে হিজবুল্লাহও। বৃহস্পতিবার একদিনে ইসরাইলের ৫০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটির। তবে ইসরাইলি হামলা এবং ভবনের ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে লেবাননে হতাহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে।
আরও পড়ুন:
হামলায় আহত মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে রাজধানী বৈরুতের হাসপাতালগুলো। এর মধ্যেই দু’টি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল থেকে রোগীদের সরিয়ে নিতে চাপ দিচ্ছে ইসরাইল। দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কার মধ্যেই বৈরুতের দু’টি হাসপাতাল দ্রুত খালি করার ইসরাইলি নির্দেশনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
হিজবুল্লাহর হাত থেকে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত লেবাননে হামলা বন্ধ করবে না বলে জানিয়েছে তেলআবিব। আর উত্তরাঞ্চলের ইসরাইলিদের নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতেই দক্ষিণ লেবাননে হামলা জোরালো করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। লেবাননের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে আগ্রহও প্রকাশ করেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু।





